সোমবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:১৪ অপরাহ্ন
সোহেল কান্তি নাথ, নিজস্ব প্রতিনিধি, বান্দরবান॥
পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রধান সমস্যা ভূমি। পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি কমিশন গঠন হয়েছে (অর্থাৎ পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন)। আজকে এই সমস্যা গুলো সমাধান হয়ে যেতো। যদি ভূমি কমিশন ঠিক মতো কাজ করতে পারতো আজ এই সমস্যা হতো না- বান্দরবানের লামার উপজেলার সরই ইউনিয়নের রেংয়েন ¤্রাে পাড়ায় পুড়ে যাওয়া ঘর-বাড়ি পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সদস্য কংজরী চৌধুরী। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে চার সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত দল লামা উপজেলা সরই ইউনিয়নের রেংয়েন ¤্রাে পাড়ায়অগ্নিসংযোগ, হামলা, ভাংচুরের ঘটনায় তদন্ত করতে যান। এ সময় কংজরীর সঙ্গে ছিলেন পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) জেলা ও দায়রা জজ মো: আশরাফুল আলম, উপ-পরিচালক মোহাম্মদ গাজী সালাউদ্দিন ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা কার্যালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: রবিউল ইসলাম। তারা লামা সরই ইউনিয়নের রেংয়েন ¤্রাে পাড়ার ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে কমিশনের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সদস্য কংজরী চৌধুরী আরো বলেন, ভূমি কমিশন মিটিং দিলেই একটি পক্ষ হরতাল ডাকে। কিন্তু কেন ডাকে- তাও আমি জানিনা। হরতাল পক্ষ এতই শক্তিশালী যে সরকার তাদের কাছে জিম্মী কিনা- তাও আমি জানিনা। সবাই মিলে এই সমস্যা (ভূমি) সমাধান করতে হবে এবং প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। ২০২১ সালে জুনে মিটিং হয়েছিল ভূমি কমিশনের। এরপর আর কোনো মিটিং হয়নি।
রেংয়েন ¤্রাে পাড়া পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সামনে তিনি আরো বলেন, যেটা বাস্তবতা সেটা সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে। আক্রমণকারী অসুস্থ মানসিকতার ছিল। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাদেরকে আক্রমণ করেছে, বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে- তছনছ করেছে, তাদের টাকা-পয়ঁসা নিয়ে গেছে।
গত রোববার রাত ১টার দিকে লামা সরই ইউনিয়নের রেংয়েন ¤্রাে পাড়ায় ৩টি ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করা হয়। ৩টি ঘর ভেঙ্গে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। আরো দুইটি ঘরের বেড়া ভেঙ্গে ফেলা হয়। হামলাকারীরা লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের লোকজন বলে ক্ষতিগ্রস্থ ¤্রােরা অভিযোগ করে আসছে। তবে লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এ হামলার ব্যাপারে অস্বীকার করছে।
আপনার মতামত দিন