চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ১০নং গোহট উত্তর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ৮২নং নাউলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রী সংসদের আয়োজনে প্রথম পূর্নমিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৮টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষকবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
সকাল ১০ টায় ২ পর্বের এ অনুষ্ঠানের শুরুতে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দের স্মৃতি চারন, অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কবিতা আবৃত্তি, গান ও নৃত্যের মধ্যে দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে দুপুর ২টায় আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে ২য় পর্বে আলোচনা সভা ও সন্মাননা ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে এবং সর্বশেষ বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা ও র্যাফেল ড্রয়ের পুরষ্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
সকালের অধিবেশনটি পরিচালনা করেন, আবু বক্কর মেহেদী ও আব্দুল কাদের এবং বিকালের অধিবেশনটি পরিচালনা করেন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব ও শিক্ষা মন্ত্রীর ব্যাক্তিগত কর্মকর্তা শরীফুল হক শাহজী ও উপজেলা বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সাক্কু।
প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রী সংসদের আহ্বায়ক ইসমাইল জবিউল্লাহর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ.ন.ম এহছানুল হক মিলনের সহধর্মিণী বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আজিজ উল্লাহ মাষ্টার, সাবেক সভাপতি শরফুদ্দিন মিয়া, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুন নবী সুমন, উপজেলা বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক জাকির হোসেন সুমন,কচুয়া জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের সাহসভাপতি ইউনুস মোল্লা, রহিমানগর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান, নাউলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী মাসুদ হোসেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক বাবুল সরকার, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল হক শাহজী, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও যুব দলের সহ সাধারণ সম্পাদক মামুন মিয়াজী, শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন প্রমুখ।
স্মৃতি চারন করেন, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক সরওয়ার ভূইয়া,প্রাক্তন ছাত্র বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজসেবক মুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম ভূইয়া জনি,সাংবাদিক রাজীব চন্দ্র শীল, বিমল আইচ, কামরুল ইসলাম, কার্তিক ঘোষসহ আরো অনেকে।
প্রধান অতিথি নাজমুন নাহার বেবী বলেন, আজকের এই মিলনমেলায় আপনাদের সঙ্গে থাকতে পেরে আমি আনন্দিত। পুনর্মিলনী শুধু আড্ডা বা আনন্দের আয়োজন নয়, এটি সম্পর্ক পুনর্গঠন, স্মৃতিচারণ এবং নতুন প্রজন্মের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রীদের এমন আয়োজন আমি আর কোথায়ও দেখিনি। বিশেষ করে এখানে মা বোনদের এত উপস্থিতি আমাকে মুগ্ধ করেছে। আপনাদের যে কোন প্রয়োজনে শিক্ষা মন্ত্রীকে বলবেন, উনি সময় দিতে না পারলেও আমি দেবো।
Leave a Reply